সাফিনি — ইউনানী চিকিৎসায় প্রমাণিত এলার্জি নিরাময় সিরাপ
প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন —
এলার্জি বুঝলেই এর সমাধান সহজ হয়ে যায়
এলার্জি হলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার (ইমিউন সিস্টেম) একটি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া। যখন শরীর কোনো নির্দিষ্ট পদার্থকে (যেমন: ধুলাবালি, পরাগরেণু, নির্দিষ্ট খাবার) ক্ষতিকর মনে করে, তখন এটি হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। এই অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াই এলার্জির বিভিন্ন লক্ষণ তৈরি করে।
সহজ ভাষায় — আপনার শরীর যেটা ক্ষতিকর না, সেটাকেও শত্রু মনে করে আক্রমণ করে। ফলে হাঁচি, চুলকানি, র্যাশ, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
ধুলা, পরাগরেণু, ধোঁয়া থেকে হাঁচি ও শ্বাসকষ্ট
একজিমা, আর্টিকেরিয়া, চুলকানি, লাল র্যাশ
নির্দিষ্ট খাবারে পেটে ব্যথা, বমি, ফুসকুড়ি
নির্দিষ্ট ওষুধে শরীরে প্রতিক্রিয়া ও র্যাশ
এলার্জির পেছনে একটি নয়, বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করে —
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে ইমিউন সিস্টেম ভুলভাবে কাজ করে। নিরীহ পদার্থকেও শত্রু মনে করে আক্রমণ শুরু করে, ফলে এলার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
ইউনানী চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী রক্তে বিষাক্ত পদার্থ জমা হলে শরীরে এলার্জি দেখা দেয়। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, প্রক্রিয়াজাত খাবার, দূষিত পরিবেশ — এসব কারণে রক্ত দূষিত হয়।
আমাদের ৭০% ইমিউন সিস্টেম পরিপাকতন্ত্রে থাকে। পেটের অসুখ, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম — এগুলো দীর্ঘদিন থাকলে শরীরে এলার্জির প্রবণতা বাড়ে।
লিভার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। লিভার দুর্বল হলে টক্সিন জমতে থাকে, ফলে এলার্জির লক্ষণ প্রকাশ পায়। ইউনানী মতে, এটি এলার্জির অন্যতম প্রধান কারণ।
পরিবারে এলার্জির ইতিহাস থাকলে সন্তানদের এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর সাথে দূষিত বাতাস, ধুলা, রাসায়নিক পদার্থ, মাইট ও ফাঙ্গাসও এলার্জি ট্রিগার করে।
ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড সেবনে শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়, ইমিউন সিস্টেম আরো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে এলার্জি তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
ইউনানী চিকিৎসায় শুধু লক্ষণ দমন নয়, রোগের মূল কারণ নির্মূল করা হয়
ইউনানী চিকিৎসাশাস্ত্রে এলার্জিকে শরীরের মিজাজ (temperament) ও আখলাত (humours) এর ভারসাম্যহীনতা হিসেবে দেখা হয়। চিকিৎসার লক্ষ্য হলো শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য পুনঃস্থাপন করা — যাতে ইমিউন সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করে।
অ্যালোপ্যাথি ওষুধ সাধারণত হিস্টামিন ব্লক করে সাময়িক আরাম দেয়। কিন্তু ইউনানী পদ্ধতিতে রক্ত পরিশোধন, লিভার শক্তিশালীকরণ, এবং পরিপাকতন্ত্র সুস্থ করার মাধ্যমে এলার্জির মূল কারণ দূর করা হয়।
তাসফিয়ায়ে খূন — রক্ত থেকে বিষ বের করা
মুকাওবিয়ে জিগার — যকৃতের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
তাকওয়িয়ে মানাআত — প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
ইতিদালে মিজাজ — তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ব্যালেন্স
সাফিনি সিরাপ ইউনানী চিকিৎসার এই চারটি স্তম্ভকে কাজে লাগিয়ে তৈরি। এটি একদিকে রক্তের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে, অন্যদিকে লিভারকে শক্তিশালী করে। একই সাথে পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রেখে ইমিউন সিস্টেমের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে। ফলে এলার্জির মূল কারণ দূর হয় — শুধু লক্ষণ চাপা পড়ে না।
ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস এলার্জি নিরাময়ের ৫০% — ওষুধের পাশাপাশি খাবারে সচেতন হোন
শুধু ওষুধ না, জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনলে এলার্জি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে
ডাস্ট মাইট এলার্জির অন্যতম কারণ। সপ্তাহে অন্তত একবার বেডশিট ও বালিশের কভার গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকান।
বাইরে গেলে মাস্ক পরুন। ঘরে কার্পেট ব্যবহার কমান। রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
শরীরে ও চুলে লেগে থাকা পরাগরেণু ও ধুলা দূর করতে বাইরে থেকে ফিরে গোসল করা উচিত।
ঘুমের অভাবে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। রাত ১১টার মধ্যে ঘুমান।
হাঁটা, সাঁতার, বা হালকা যোগব্যায়াম ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে। তবে অতিরিক্ত ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।
অতিরিক্ত টেনশন ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে। নিয়মিত জিকির, দোয়া, ও মেডিটেশন মানসিক শান্তি আনে।
বিড়াল ও কুকুরের লোম ও লালা এলার্জি ট্রিগার করতে পারে। পোষা প্রাণী থাকলে ঘর নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন।
দৈনিক ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। পানি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং রক্ত পরিশুদ্ধ রাখে।
প্রাচীন ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি, আধুনিক গবেষণায় যাচাইকৃত
ভেষজ উপাদানে তৈরি, কোনো কেমিক্যাল নেই
রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে মূল কারণ নির্মূল
যকৃতের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে ডিটক্সিফিকেশন জোরদার
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য
নিয়মিত সেবনে অল্প সময়েই ফলাফল পাবেন
দীর্ঘদিন সেবনেও ক্ষতি নেই, স্টেরয়েড মুক্ত
সকালে ও রাতে খাওয়ার পর ২ চা চামচ সেবন করুন
ন্যূনতম ৩০ দিন ধারাবাহিকভাবে সেবন করুন
উপরের খাদ্য তালিকা অনুসরণ করুন — ওষুধ ও খাবার দুটোই জরুরি
এলার্জি থেকে স্থায়ী মুক্তি পান, ইনশাআল্লাহ
আপনার সমস্যার পাশাপাশি যেগুলো সাহায্য করবে
ভেজা চর্মরোগ, ছত্রাকজনিত চুলকানি ও পানি ঝরা সমস্যার কার্যকর ভেষজ মলম — দ্রুত আরাম দেয়।
বিস্তারিত দেখুন →শুকনো চর্মরোগ, এলার্জি, খসখসে ত্বক ও চুলকানির প্রাকৃতিক ভেষজ লোশন — ত্বক মসৃণ ও সুস্থ করে।
বিস্তারিত দেখুন →পেট ও লিভারের সুরক্ষায় অনন্য ভেষজ ঔষধ — গ্যাস্ট্রিক, লিভার দুর্বলতা ও হজম সমস্যার সমাধান।
বিস্তারিত দেখুন →