পেটের যাবতীয় সমস্যা সমাধান করে শরীরে শক্তি ও প্রশান্তি ফিরিয়ে আনে। গ্যাস্ট্রিক ও ফ্যাটি লিভারে দ্রুত কার্যকর।
পেটের সমস্যা শুধু পেটে সীমাবদ্ধ থাকে না — পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে
পেট ও লিভার সুস্থ না থাকলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে
পাকস্থলী খাবার হজম করে এবং লিভার শরীরের ফিল্টার — রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা সব লিভারের কাজ। এই দুটো অঙ্গ সুস্থ না থাকলে — খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, পুষ্টি শোষিত হয় না, বিষাক্ত পদার্থ জমে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
ইউনানী চিকিৎসায় বলা হয় — "মিদা (পাকস্থলী) সুস্থ থাকলে পুরো শরীর সুস্থ, মিদা অসুস্থ হলে পুরো শরীর অসুস্থ।"
ফাস্ট ফুড, তেলে ভাজা, অতিরিক্ত ঝাল-মশলা, অনিয়মিত খাওয়া — পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত করে, অ্যাসিড বেড়ে যায়।
অতিরিক্ত ক্যালোরি, চর্বিযুক্ত খাবার ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে লিভারে চর্বি জমে। এটি লিভার সিরোসিসে রূপ নিতে পারে।
ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড — এসব ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় হয় ও লিভার দুর্বল হয়।
স্ট্রেসে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বেড়ে যায়। অনিদ্রায় লিভারের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।
H. pylori ব্যাকটেরিয়া গ্যাস্ট্রিক আলসারের প্রধান কারণ। হেপাটাইটিস ভাইরাস লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। দূষিত পানি ও খাবার থেকে সংক্রমণ ছড়ায়।
লিভারটন হাকিম মাওলানা আশরাফ আলী সাহেবের ফর্মুলায় তৈরি। আগে ঘরোয়াভাবে পেট ও ঘুমের সমস্যায় ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে আধুনিক উপায়ে উৎপাদন করা হচ্ছে।
লিভারটন একই সাথে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ, লিভারের ডিটক্সিফিকেশন, হজমশক্তি বৃদ্ধি, এবং স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে ঘুম আনা — চারটি কাজ একসাথে করে। বাজারের অ্যান্টাসিড শুধু অ্যাসিড চেপে রাখে, কিন্তু লিভারটন মূল কারণ দূর করে।
ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।
দুই অবস্থার জন্য দুই নিয়ম — অসুস্থ অবস্থায় বেশি, সুস্থ হলে রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ
রোগ অনুযায়ী দিনে ২-৩ বার ৩০ মিলি লিভারটন সমপরিমাণ বা তিন গুণ পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন।
গুরুতর সমস্যায় (আলসার, হেপাটাইটিস, সিরোসিস) দিনে ৩ বার এবং হালকা সমস্যায় (গ্যাস, বদহজম) দিনে ২ বার যথেষ্ট।
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১৫ মিলি লিভারটন তিন গুণ পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করুন।
এটি পাকস্থলী ও লিভারকে সুস্থ রাখবে, পেটের সমস্যা ফিরে আসা ঠেকাবে, এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখবে।
গ্যাস, পেট ফাঁপা, বুক জ্বালা দ্রুত দূর করে
ফ্যাটি লিভার ও জন্ডিসে কার্যকর
ক্ষুধা বাড়ায়, খাবার সঠিকভাবে হজম করে
বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য স্থায়ীভাবে সমাধান
দীর্ঘদিনের অনিদ্রায় অত্যন্ত কার্যকর
দুর্বলতা দূর করে শরীরে এনার্জি আনে
ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪
৭ দিনে উপকার না পেলে টাকা ফেরত
প্রতিদিন একই সময়ে খান। অনিয়মিত খাওয়া পাকস্থলীতে অ্যাসিড বাড়ায়। তিন বেলার মধ্যে হালকা নাস্তা রাখুন।
খাওয়ার পর ১০-১৫ মিনিট হালকা হাঁটুন। এটি হজম দ্রুত করে। খাওয়ার পরপর শুয়ে পড়বেন না।
রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। রাতে লিভার ডিটক্সিফিকেশনের কাজ করে — ঘুম কম হলে এটি বাধাগ্রস্ত হয়।
দৈনিক ৮-১০ গ্লাস। পানি হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, লিভার ডিটক্স করে।
স্ট্রেসে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বাড়ে। জিকির, দোয়া, মেডিটেশন — মানসিক শান্তি পেটের স্বাস্থ্যের জন্যও জরুরি।
ধূমপান পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতি করে। অ্যালকোহল লিভারের সবচেয়ে বড় শত্রু।
আপনার সমস্যার পাশাপাশি যেগুলো সাহায্য করবে
এলার্জি ও চর্মরোগের সম্পূর্ণ ইউনানী সমাধান — রক্ত পরিষ্কার করে মূল কারণ দূর করে, রোগ ফেরে না।
বিস্তারিত দেখুন →প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে শর্করা কমায়, কোষের ইনসুলিন গ্রহণ ক্ষমতা বাড়ায় — প্রায় স্থায়ী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ।
বিস্তারিত দেখুন →সাদাস্রাব ও ধাতু দুর্বলতার সম্পূর্ণ ইউনানী চিকিৎসা — লিভারটনসহ ৪০ দিনের কোর্সে স্থায়ী সমাধান।
বিস্তারিত দেখুন →