🌿 সরকারি অনুমোদিত ইউনানী ঔষধ — ৭ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি
🏥 হাকিম মাওলানা আশরাফ আলী

লিভারটন
পাকস্থলী ও লিভার সুরক্ষায় অনন্য সমাধান

পেটের যাবতীয় সমস্যা সমাধান করে শরীরে শক্তি ও প্রশান্তি ফিরিয়ে আনে। গ্যাস্ট্রিক ও ফ্যাটি লিভারে দ্রুত কার্যকর।

৳৩০০
লিভারটন সিরাপ
ওমেন্টাম ফার্মাসিউটিক্যালস
📋 ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪ 🛡️ ৭ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি 🆓 ফ্রি ক্যাম্পেইন চলছে

এই সমস্যাগুলো কি আপনার আছে?

পেটের সমস্যা শুধু পেটে সীমাবদ্ধ থাকে না — পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে

🔥গ্যাস, পেট ফাঁপা, বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর
😖বুক ও পিঠে ব্যথা — গ্যাস্ট্রিকের কারণে
🚽কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, পেটে অস্বস্তি
🍽️খাবারে রুচি নেই, খেলেও হজম হয় না
😴রাতে ঘুম হয় না, অনিদ্রায় কষ্ট
😪সবসময় ক্লান্ত, দুর্বল, এনার্জি নেই
🫁লিভারে সমস্যা — ফ্যাটি লিভার, জন্ডিস

পাকস্থলী ও লিভারের সমস্যা কেন হয়?

পেট ও লিভার সুস্থ না থাকলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে

🔬 পাকস্থলী ও লিভার — শরীরের ইঞ্জিন

পাকস্থলী খাবার হজম করে এবং লিভার শরীরের ফিল্টার — রক্ত পরিশোধন, পুষ্টি সঞ্চয়, বিষাক্ত পদার্থ বের করা সব লিভারের কাজ। এই দুটো অঙ্গ সুস্থ না থাকলে — খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, পুষ্টি শোষিত হয় না, বিষাক্ত পদার্থ জমে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

ইউনানী চিকিৎসায় বলা হয় — "মিদা (পাকস্থলী) সুস্থ থাকলে পুরো শরীর সুস্থ, মিদা অসুস্থ হলে পুরো শরীর অসুস্থ।"

অনিয়মিত ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

ফাস্ট ফুড, তেলে ভাজা, অতিরিক্ত ঝাল-মশলা, অনিয়মিত খাওয়া — পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত করে, অ্যাসিড বেড়ে যায়।

লিভারে চর্বি জমা (ফ্যাটি লিভার)

অতিরিক্ত ক্যালোরি, চর্বিযুক্ত খাবার ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে লিভারে চর্বি জমে। এটি লিভার সিরোসিসে রূপ নিতে পারে।

অতিরিক্ত ওষুধ সেবন

ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড — এসব ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষয় হয় ও লিভার দুর্বল হয়।

মানসিক চাপ ও অনিয়মিত ঘুম

স্ট্রেসে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বেড়ে যায়। অনিদ্রায় লিভারের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সংক্রমণ ও পরিবেশগত কারণ

H. pylori ব্যাকটেরিয়া গ্যাস্ট্রিক আলসারের প্রধান কারণ। হেপাটাইটিস ভাইরাস লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। দূষিত পানি ও খাবার থেকে সংক্রমণ ছড়ায়।

৫০%
বাংলাদেশি গ্যাস্ট্রিকসহ পেটের সমস্যায় ভোগেন
৩৩%
প্রাপ্তবয়স্কদের ফ্যাটি লিভার আছে
৭দিন
লিভারটনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি

লিভারটন যেসব রোগে কার্যকর

🫁

পাকস্থলীর সমস্যা

গ্যাস্ট্রিক আলসার ডিওডেনাল আলসার GERD ডিসপেপসিয়া
🫀

লিভারের সমস্যা

ফ্যাটি লিভার জন্ডিস হেপাটাইটিস A-E লিভার সিরোসিস
🔄

হজম ও অন্ত্রের সমস্যা

IBS আমাশয় ডায়রিয়া ক্রোনস ডিজিজ
😴

ঘুমের সমস্যা

দীর্ঘদিনের অনিদ্রা অস্থির ঘুম ঘুমে ব্যাঘাত

লিভারটন কিভাবে সুস্থতা ফেরায়?

🌿 ইউনানী ফর্মুলা — ভেতর থেকে সুস্থতা

লিভারটন হাকিম মাওলানা আশরাফ আলী সাহেবের ফর্মুলায় তৈরি। আগে ঘরোয়াভাবে পেট ও ঘুমের সমস্যায় ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে আধুনিক উপায়ে উৎপাদন করা হচ্ছে।

লিভারটন একই সাথে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ, লিভারের ডিটক্সিফিকেশন, হজমশক্তি বৃদ্ধি, এবং স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে ঘুম আনা — চারটি কাজ একসাথে করে। বাজারের অ্যান্টাসিড শুধু অ্যাসিড চেপে রাখে, কিন্তু লিভারটন মূল কারণ দূর করে।

✅ লিভারটন যা যা করে

🔥 গ্যাস ও পেট ফাঁপা দূর 🫀 বুক জ্বালা ও টক ঢেকুর উপশম 💨 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর 🍽️ ক্ষুধা ও রুচি বৃদ্ধি 🫁 লিভার সুরক্ষা ⚡ শারীরিক দুর্বলতা দূর 😴 অনিদ্রায় কার্যকর 🩸 বুক ও পিঠের ব্যথা দূর

লিভারটনের উপাদান

🔒 উপাদান গোপনীয়

ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।

কিভাবে সেবন করবেন?

দুই অবস্থার জন্য দুই নিয়ম — অসুস্থ অবস্থায় বেশি, সুস্থ হলে রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ

🩺 অসুস্থ অবস্থায় (চিকিৎসা ডোজ)

রোগ অনুযায়ী দিনে ২-৩ বার ৩০ মিলি লিভারটন সমপরিমাণ বা তিন গুণ পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন।

গুরুতর সমস্যায় (আলসার, হেপাটাইটিস, সিরোসিস) দিনে ৩ বার এবং হালকা সমস্যায় (গ্যাস, বদহজম) দিনে ২ বার যথেষ্ট।

💚 সুস্থ হওয়ার পর (রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ)

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১৫ মিলি লিভারটন তিন গুণ পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করুন।

এটি পাকস্থলী ও লিভারকে সুস্থ রাখবে, পেটের সমস্যা ফিরে আসা ঠেকাবে, এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখবে।

লিভারটনের প্রধান উপকারিতা

🔥

গ্যাস্ট্রিক দূর

গ্যাস, পেট ফাঁপা, বুক জ্বালা দ্রুত দূর করে

🫁

লিভার সুরক্ষা

ফ্যাটি লিভার ও জন্ডিসে কার্যকর

🍽️

রুচি ফেরায়

ক্ষুধা বাড়ায়, খাবার সঠিকভাবে হজম করে

💨

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য স্থায়ীভাবে সমাধান

😴

ঘুম আনে

দীর্ঘদিনের অনিদ্রায় অত্যন্ত কার্যকর

শক্তি ফেরায়

দুর্বলতা দূর করে শরীরে এনার্জি আনে

📋

সরকারি অনুমোদিত

ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪

🛡️

মানি ব্যাক

৭ দিনে উপকার না পেলে টাকা ফেরত

পেট ও লিভার ভালো রাখতে খাবার সচেতনতা

✅ বেশি খাবেন

🥦 সবুজ শাকসবজি 🍌 কলা (গ্যাস্ট্রিকে উপকারী) 🥣 ওটস 🍚 নরম ভাত 🐟 হালকা মাছ 🥒 শসা ও লাউ 🫚 আদা 🍯 মধু 🍵 গ্রিন টি 🥕 গাজর 🍎 আপেল 💧 প্রচুর পানি
💡 টিপ: সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান — লিভার ডিটক্সে অত্যন্ত কার্যকর।

🚫 পরিহার করুন

🌶️ অতিরিক্ত ঝাল 🍕 ফাস্ট ফুড 🍟 তেলে ভাজা 🥤 কোমল পানীয় ☕ অতিরিক্ত চা/কফি 🫙 আচার 🍺 যেকোনো অ্যালকোহল 🫘 ভারী দ্রব্য 🍰 অতিরিক্ত মিষ্টি
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: খালি পেটে চা/কফি খাবেন না — এটি পাকস্থলীতে অ্যাসিড বাড়ায়। খাওয়ার পর খান। রাতে দেরি করে ভারী খাবার খাবেন না।

পেট ও লিভার ভালো রাখতে জীবনযাপন পরামর্শ

🍽️

নিয়মিত সময়ে খান

প্রতিদিন একই সময়ে খান। অনিয়মিত খাওয়া পাকস্থলীতে অ্যাসিড বাড়ায়। তিন বেলার মধ্যে হালকা নাস্তা রাখুন।

🚶

খাওয়ার পর হাঁটুন

খাওয়ার পর ১০-১৫ মিনিট হালকা হাঁটুন। এটি হজম দ্রুত করে। খাওয়ার পরপর শুয়ে পড়বেন না।

💤

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমান

রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। রাতে লিভার ডিটক্সিফিকেশনের কাজ করে — ঘুম কম হলে এটি বাধাগ্রস্ত হয়।

💧

প্রচুর পানি পান করুন

দৈনিক ৮-১০ গ্লাস। পানি হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, লিভার ডিটক্স করে।

🧘

মানসিক চাপ কমান

স্ট্রেসে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বাড়ে। জিকির, দোয়া, মেডিটেশন — মানসিক শান্তি পেটের স্বাস্থ্যের জন্যও জরুরি।

🚭

ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন

ধূমপান পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতি করে। অ্যালকোহল লিভারের সবচেয়ে বড় শত্রু।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কতদিনে ফলাফল পাবো?
গ্যাস্ট্রিক ও পেট ফাঁপায় ২-৩ দিনেই আরাম পাবেন। ফ্যাটি লিভার, IBS এর মতো সমস্যায় ১-২ সপ্তাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি। আমরা ৭ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিচ্ছি — ৭ দিনে উপকার না পেলে টাকা ফেরত।
এটি কি সরকারি অনুমোদিত?
হ্যাঁ, লিভারটন সরকারি অনুমোদিত ইউনানী ঔষধ। ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন নং: ২২৩৪। ওমেন্টাম ফার্মাসিউটিক্যালস আধুনিক উপায়ে উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
অন্য ওষুধের সাথে খাওয়া যাবে?
লিভারটন প্রাকৃতিক ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি, সাধারণত অন্য ওষুধের সাথে সমস্যা হয় না। তবে গুরুতর রোগে (হেপাটাইটিস, সিরোসিস) চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেবন শুরু করুন।
ঘুমের সমস্যায় কিভাবে কাজ করে?
পেটের সমস্যা ও লিভারের দুর্বলতা অনিদ্রার অন্যতম কারণ। লিভারটন পাকস্থলী ও লিভার সুস্থ করার পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্র শান্ত করে — ফলে প্রাকৃতিকভাবে ভালো ঘুম আসে। এটি ঘুমের ট্যাবলেটের মতো কৃত্রিম ঘুম আনে না।
কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে?
প্রাকৃতিক ইউনানী ফর্মুলায় তৈরি — সঠিক ডোজে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ফ্রি ক্যাম্পেইন কিভাবে পাবো?
সারাদেশে ফ্রি ক্যাম্পেইন চলছে। বিনামূল্যে পরীক্ষা করতে আপনার নিকটস্থ থানা প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন।
দীর্ঘদিন খাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, লিভারটন দীর্ঘদিন সেবনে কোনো ক্ষতি নেই। সুস্থ হওয়ার পরও প্রতিদিন সকালে ১৫ মিলি রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ হিসেবে সেবন করলে পেট ও লিভার সুস্থ থাকবে।
শিশুদের দেওয়া যাবে?
৫ বছরের উপরে শিশুদের অর্ধেক ডোজে দেওয়া যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
📋 সরকারি অনুমোদিত
🛡️ ৭ দিনের মানি ব্যাক
🌿 ১০০% প্রাকৃতিক
💰 মাত্র ৳৩০০
আরও দেখুন

সম্পর্কিত ইউনানী ঔষধ

আপনার সমস্যার পাশাপাশি যেগুলো সাহায্য করবে

← সব ঔষধ 🏠 অর্ডার হোমপেজে →