🩹 ছত্রাকজনিত চুলকানি ও ভেজা চর্মরোগে দ্রুত কার্যকর — কয়েকদিনেই আরাম
🏥 হাকিম মাওলানা আশরাফ আলী

চর্মরোগের মলম
ছত্রাকজনিত চুলকানি ও ভেজা চর্মরোগের সমাধান

চিপাচাপায় চুলকানি, ছত্রাকের আক্রমণ, পানি ঝরা ঘা, ফোস্কা — অল্প জায়গায় থাকা ভেজা চর্মরোগে মলম অত্যন্ত কার্যকর। কয়েকদিনেই আরাম পাবেন।

৳১০০ ছোট মলম
৳৩০০ বড় মলম
সমস্যা

এই সমস্যাগুলো কি আপনার আছে?

🔥চিপাচাপায় (কুঁচকি, বগল, আঙুলের ফাঁকে) তীব্র চুলকানি
💧চুলকানির জায়গা থেকে পানি ঝরে, ফোস্কা হয়
🦠দাদ, পাঁচড়া বা ছত্রাকজনিত গোলাকার দাগ
😖চুলকালে আরো বাড়ে, ঘুমে ব্যাঘাত, অস্বস্তি
💊বিভিন্ন ক্রিম লাগিয়েছেন কিন্তু বারবার ফিরে আসছে
😟লজ্জায় কাউকে বলতে পারেন না, কষ্ট সহ্য করছেন
জানুন

ভেজা চর্মরোগ ও ছত্রাক আসলে কি?

🔬 ভেজা চর্মরোগ কি?

যে চর্মরোগে আক্রান্ত স্থান থেকে পানি ঝরে, ফোস্কা হয়, পুঁজ হয়, ভেজা ভেজা থাকে — সেটাই ভেজা চর্মরোগ। ইউনানী চিকিৎসায় এটিকে বলে "একজিমায়ে রতব"। বিশেষত শরীরের ভাঁজে ভাঁজে — কুঁচকি, বগল, আঙুলের ফাঁক, কানের পেছনে — এই সমস্যা বেশি হয়।

🦠 ছত্রাকজনিত সংক্রমণ কি?

ছত্রাক (Fungus) হলো এক ধরনের জীবাণু যা উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে বংশবৃদ্ধি করে। শরীরের চিপাচাপা — কুঁচকি, পায়ের আঙুলের ফাঁক, বগল — এই জায়গাগুলো উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে বলে ছত্রাকের আক্রমণ বেশি হয়।

ছত্রাকজনিত চুলকানি সাধারণত গোলাকার দাগ আকারে ছড়ায় (দাদ/Ringworm), তীব্র চুলকানি হয়, চুলকালে আরো বাড়ে, এবং বারবার ফিরে আসে।

🦠

ছত্রাকজনিত দাদ (Ringworm)

গোলাকার লাল দাগ, কিনারা উঁচু, মাঝখান পরিষ্কার। তীব্র চুলকানি। শরীরের যেকোনো জায়গায় হতে পারে।

🔥

চিপাচাপায় চুলকানি (Jock Itch)

কুঁচকি, উরুর ভেতর, বগল — ভাঁজের জায়গায় লাল, চুলকানিযুক্ত দাগ। ঘামে বাড়ে, আঁটসাঁট পোশাকে বাড়ে।

💧

ভেজা একজিমা

আক্রান্ত স্থান থেকে পানি ঝরে, ফোস্কা হয়, পুঁজ হতে পারে। চুলকালে আরো খারাপ হয়।

🩹

পাঁচড়া ও অন্যান্য

ছোট ছোট ফুসকুড়ি, পাঁচড়া, ঘামাচি সংক্রমণ — অল্প জায়গায় থাকা চর্মরোগ।

কারণ

এই সমস্যা কেন হয়?

ঘাম ও আর্দ্রতা

শরীরের ভাঁজে ঘাম জমে আর্দ্র পরিবেশ তৈরি করে — ছত্রাকের জন্য আদর্শ। বাংলাদেশের গরম-আর্দ্র আবহাওয়ায় এটা বেশি হয়।

আঁটসাঁট ও সিনথেটিক পোশাক

আঁটসাঁট অন্তর্বাস বা সিনথেটিক কাপড়ে বাতাস চলাচল হয় না — ঘাম শুকায় না, ছত্রাক বাড়ে।

অপরিচ্ছন্নতা

গোসলের পর শরীরের ভাঁজ ভালোভাবে না মোছা, ভেজা কাপড় পরা — এসবে ছত্রাক বংশবৃদ্ধি করে।

দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিনের অ্যান্টিবায়োটিক, বা ইমিউনিটি কম থাকলে ছত্রাক সংক্রমণ বেশি হয় ও বারবার ফিরে আসে।

সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শ

অন্যের তোয়ালে, কাপড়, বিছানা ব্যবহারে ছত্রাক ছড়ায়। পরিবারের একজনের থাকলে অন্যদেরও হতে পারে।

কিভাবে কাজ করে

মলম কিভাবে দ্রুত আরাম দেয়?

🩹 সরাসরি আক্রান্ত স্থানে কাজ করে

মলম সরাসরি আক্রান্ত ত্বকে লাগানো হয় বলে ভেষজ উপাদান সরাসরি সংক্রমণের জায়গায় পৌঁছায় — মুখে খাওয়া ওষুধের চেয়ে স্থানীয়ভাবে অনেক দ্রুত ও বেশি কার্যকর।

মলম একই সাথে — ছত্রাক মারে, চুলকানি বন্ধ করে, পানি ঝরা শুকায়, ক্ষত সারায়, ত্বক সুস্থ করে। ভেজা চর্মরোগে ত্বক শুকনো রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — মলম সেটাও করে।

সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই চুলকানি ও জ্বালাপোড়া কমে আসে এবং ভেজা স্থান শুকাতে শুরু করে।

⚠️ বাজারের ক্রিমের সমস্যা কোথায়?

বাজারের বেশিরভাগ ক্রিমে স্টেরয়েড থাকে — যা সাময়িকভাবে চুলকানি বন্ধ করে কিন্তু ছত্রাক মারে না। ফলে ক্রিম বন্ধ করলেই আবার ফিরে আসে, এবং প্রতিবার আরো শক্তিশালী হয়ে ফেরে। দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ক্রিম লাগালে ত্বক পাতলা হয়, কালো দাগ পড়ে।

এই মলম স্টেরয়েড মুক্ত — ইউনানী ভেষজ ফর্মুলায় ছত্রাক মূল থেকে মারে, তাই বারবার ফিরে আসে না।

উপাদান

মলমের উপাদান

🔒 উপাদান গোপনীয়

ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।

সাইজ ও দাম

আপনার জন্য কোন সাইজ?

সমস্যা কতটুকু জায়গায় — তার উপর নির্ভর করে সাইজ বেছে নিন

🩹 ৳১০০
ছোট মলম
অল্প জায়গায় সমস্যা —
একটি দাদ, ছোট চুলকানি,
আঙুলের ফাঁকে সংক্রমণ
🧴 ৳৩০০
বড় মলম
বেশি জায়গায় সমস্যা —
কুঁচকি-বগলে বিস্তৃত,
একাধিক স্থানে সংক্রমণ
ব্যবহারবিধি

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করুন

প্রথমে আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। ভেজা থাকলে মলম ঠিকমতো কাজ করবে না।

পাতলা স্তরে মলম লাগান

আক্রান্ত স্থানে ও তার চারপাশে ১-২ সেমি পর্যন্ত পাতলা স্তরে মলম লাগান। অতিরিক্ত ঘষবেন না — আলতোভাবে লাগান।

দিনে ২-৩ বার লাগান

সকালে, দুপুরে ও রাতে ঘুমানোর আগে — দিনে ২-৩ বার লাগান। গোসলের পর লাগানো সবচেয়ে ভালো।

সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যান

কয়েকদিনে চুলকানি কমলেও মলম বন্ধ করবেন না। সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এবং এরপর আরো ৫-৭ দিন চালিয়ে যান — যাতে ছত্রাক মূল থেকে মরে।

উপকারিতা

মলমের প্রধান উপকারিতা

🦠

ছত্রাক মারে

ছত্রাক মূল থেকে মারে, বারবার ফিরে আসা ঠেকায়

🔥

চুলকানি বন্ধ

তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া দ্রুত কমায়

💧

পানি ঝরা শুকায়

ভেজা ঘা, ফোস্কা, পুঁজ — সব শুকিয়ে ফেলে

🩹

ক্ষত সারায়

চুলকানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামত করে

🚫

স্টেরয়েড মুক্ত

ভেষজ ফর্মুলা — ত্বক পাতলা হয় না, কালো দাগ পড়ে না

দ্রুত কার্যকর

কয়েকদিনেই উল্লেখযোগ্য আরাম

প্রতিরোধ

চর্মরোগ যাতে ফিরে না আসে

👕

ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন

আঁটসাঁট ও সিনথেটিক পোশাক এড়িয়ে চলুন — সুতির ঢিলে কাপড়ে বাতাস চলাচল করে, ঘাম শুকায়।

🚿

শরীরের ভাঁজ শুকনো রাখুন

গোসলের পর কুঁচকি, বগল, আঙুলের ফাঁক ভালোভাবে মুছে শুকান। ভেজা রাখবেন না।

🧺

আলাদা তোয়ালে ও কাপড় ব্যবহার করুন

সংক্রমিত ব্যক্তির কাপড়, তোয়ালে, বিছানা আলাদা রাখুন। গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকান।

🩲

প্রতিদিন অন্তর্বাস বদলান

প্রতিদিন পরিষ্কার অন্তর্বাস পরুন। ঘেমে গেলে যত দ্রুত সম্ভব পরিবর্তন করুন।

🍎

ইমিউনিটি বাড়ান

পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন সি, পর্যাপ্ত ঘুম — রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে ছত্রাক সংক্রমণ কম হয়।

💡 ভেতর থেকেও চিকিৎসা দরকার?

মলম বাইরে থেকে কাজ করে — কিন্তু চর্মরোগ বারবার ফিরে আসলে বা বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে ভেতর থেকেও চিকিৎসা দরকার

আমাদের সাফিনি সিরাপ রক্ত পরিশোধন করে ভেতর থেকে চর্মরোগের মূল কারণ দূর করে। মলম (বাইরে) + সাফিনি (ভেতরে) = সম্পূর্ণ চিকিৎসা

প্রশ্নোত্তর

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কতদিনে আরাম পাবো?
সাধারণত ২-৩ দিনেই চুলকানি ও জ্বালাপোড়া কমে আসে। ৫-৭ দিনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এবং আরো ৫-৭ দিন চালিয়ে যান — যাতে ছত্রাক মূল থেকে মরে এবং ফিরে না আসে।
ছোট না বড় — কোনটি নেবো?
ছোট (৳১০০): অল্প জায়গায় সমস্যা — একটি দাদ, ছোট চুলকানি, আঙুলের ফাঁকে সংক্রমণ। বড় (৳৩০০): বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়া — কুঁচকি-বগলে বিস্তৃত, একাধিক স্থানে সংক্রমণ, বা দীর্ঘদিনের সমস্যা।
স্টেরয়েড আছে কি?
না, এটি সম্পূর্ণ ইউনানী ভেষজ ফর্মুলায় তৈরি — কোনো স্টেরয়েড নেই। তাই ত্বক পাতলা হয় না, কালো দাগ পড়ে না, দীর্ঘদিন ব্যবহারে কোনো ক্ষতি নেই।
গোপনাঙ্গে লাগানো যাবে?
হ্যাঁ, কুঁচকি ও গোপনাঙ্গের আশেপাশে লাগানো নিরাপদ। তবে শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে (ভেতরে) লাগাবেন না। শুধু বাইরের ত্বকে লাগান।
বারবার ফিরে আসে — কি করবো?
বারবার ফিরে আসলে দুটো কারণ — ১) মলম তাড়াতাড়ি বন্ধ করা (সুস্থ হওয়ার পরও ৫-৭ দিন চালান), ২) ভেতর থেকে সমস্যা আছে (রক্ত দূষণ, ইমিউনিটি কম)। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মলমের সাথে আমাদের সাফিনি সিরাপ সেবন করুন — ভেতর থেকে রক্ত পরিশোধন করে মূল কারণ দূর করে।
শুকনা চর্মরোগেও কাজ করবে?
এই মলম মূলত ভেজা চর্মরোগ ও ছত্রাকজনিত সমস্যার জন্য। শুকনা চর্মরোগের (খসখসে, ছড়িয়ে পড়া) জন্য আমাদের আলাদা লোশন আছে — যা বেশি জায়গায় সহজে লাগানো যায়। সাফিনি পেজে বিস্তারিত আছে।
শিশুদের লাগানো যাবে?
হ্যাঁ, প্রাকৃতিক ভেষজ ফর্মুলায় তৈরি — শিশুদের ত্বকে নিরাপদ। তবে খুব ছোট শিশু (১ বছরের কম) এর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🏥 ইউনানী ফর্মুলা
🚫 স্টেরয়েড মুক্ত
দ্রুত কার্যকর
💰 মাত্র ৳১০০ থেকে
আরও দেখুন

সম্পর্কিত ইউনানী ঔষধ

আপনার সমস্যার পাশাপাশি যেগুলো সাহায্য করবে

← সব ঔষধ 🏠 অর্ডার হোমপেজে →