চিপাচাপায় চুলকানি, ছত্রাকের আক্রমণ, পানি ঝরা ঘা, ফোস্কা — অল্প জায়গায় থাকা ভেজা চর্মরোগে মলম অত্যন্ত কার্যকর। কয়েকদিনেই আরাম পাবেন।
যে চর্মরোগে আক্রান্ত স্থান থেকে পানি ঝরে, ফোস্কা হয়, পুঁজ হয়, ভেজা ভেজা থাকে — সেটাই ভেজা চর্মরোগ। ইউনানী চিকিৎসায় এটিকে বলে "একজিমায়ে রতব"। বিশেষত শরীরের ভাঁজে ভাঁজে — কুঁচকি, বগল, আঙুলের ফাঁক, কানের পেছনে — এই সমস্যা বেশি হয়।
ছত্রাক (Fungus) হলো এক ধরনের জীবাণু যা উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে বংশবৃদ্ধি করে। শরীরের চিপাচাপা — কুঁচকি, পায়ের আঙুলের ফাঁক, বগল — এই জায়গাগুলো উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে বলে ছত্রাকের আক্রমণ বেশি হয়।
ছত্রাকজনিত চুলকানি সাধারণত গোলাকার দাগ আকারে ছড়ায় (দাদ/Ringworm), তীব্র চুলকানি হয়, চুলকালে আরো বাড়ে, এবং বারবার ফিরে আসে।
গোলাকার লাল দাগ, কিনারা উঁচু, মাঝখান পরিষ্কার। তীব্র চুলকানি। শরীরের যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
কুঁচকি, উরুর ভেতর, বগল — ভাঁজের জায়গায় লাল, চুলকানিযুক্ত দাগ। ঘামে বাড়ে, আঁটসাঁট পোশাকে বাড়ে।
আক্রান্ত স্থান থেকে পানি ঝরে, ফোস্কা হয়, পুঁজ হতে পারে। চুলকালে আরো খারাপ হয়।
ছোট ছোট ফুসকুড়ি, পাঁচড়া, ঘামাচি সংক্রমণ — অল্প জায়গায় থাকা চর্মরোগ।
শরীরের ভাঁজে ঘাম জমে আর্দ্র পরিবেশ তৈরি করে — ছত্রাকের জন্য আদর্শ। বাংলাদেশের গরম-আর্দ্র আবহাওয়ায় এটা বেশি হয়।
আঁটসাঁট অন্তর্বাস বা সিনথেটিক কাপড়ে বাতাস চলাচল হয় না — ঘাম শুকায় না, ছত্রাক বাড়ে।
গোসলের পর শরীরের ভাঁজ ভালোভাবে না মোছা, ভেজা কাপড় পরা — এসবে ছত্রাক বংশবৃদ্ধি করে।
ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিনের অ্যান্টিবায়োটিক, বা ইমিউনিটি কম থাকলে ছত্রাক সংক্রমণ বেশি হয় ও বারবার ফিরে আসে।
অন্যের তোয়ালে, কাপড়, বিছানা ব্যবহারে ছত্রাক ছড়ায়। পরিবারের একজনের থাকলে অন্যদেরও হতে পারে।
মলম সরাসরি আক্রান্ত ত্বকে লাগানো হয় বলে ভেষজ উপাদান সরাসরি সংক্রমণের জায়গায় পৌঁছায় — মুখে খাওয়া ওষুধের চেয়ে স্থানীয়ভাবে অনেক দ্রুত ও বেশি কার্যকর।
মলম একই সাথে — ছত্রাক মারে, চুলকানি বন্ধ করে, পানি ঝরা শুকায়, ক্ষত সারায়, ত্বক সুস্থ করে। ভেজা চর্মরোগে ত্বক শুকনো রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — মলম সেটাও করে।
সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই চুলকানি ও জ্বালাপোড়া কমে আসে এবং ভেজা স্থান শুকাতে শুরু করে।
বাজারের বেশিরভাগ ক্রিমে স্টেরয়েড থাকে — যা সাময়িকভাবে চুলকানি বন্ধ করে কিন্তু ছত্রাক মারে না। ফলে ক্রিম বন্ধ করলেই আবার ফিরে আসে, এবং প্রতিবার আরো শক্তিশালী হয়ে ফেরে। দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ক্রিম লাগালে ত্বক পাতলা হয়, কালো দাগ পড়ে।
এই মলম স্টেরয়েড মুক্ত — ইউনানী ভেষজ ফর্মুলায় ছত্রাক মূল থেকে মারে, তাই বারবার ফিরে আসে না।
ঔষধের উপাদান আমাদের সিক্রেট, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে যে সিক্রেট ধরে রাখছি, তাই আমাদের ঔষধের সাথে অন্য কোনো ঔষধ বা প্রডাক্ট এর কোনো তুলনা বা মিল হয়না।
সমস্যা কতটুকু জায়গায় — তার উপর নির্ভর করে সাইজ বেছে নিন
প্রথমে আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। ভেজা থাকলে মলম ঠিকমতো কাজ করবে না।
আক্রান্ত স্থানে ও তার চারপাশে ১-২ সেমি পর্যন্ত পাতলা স্তরে মলম লাগান। অতিরিক্ত ঘষবেন না — আলতোভাবে লাগান।
সকালে, দুপুরে ও রাতে ঘুমানোর আগে — দিনে ২-৩ বার লাগান। গোসলের পর লাগানো সবচেয়ে ভালো।
কয়েকদিনে চুলকানি কমলেও মলম বন্ধ করবেন না। সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এবং এরপর আরো ৫-৭ দিন চালিয়ে যান — যাতে ছত্রাক মূল থেকে মরে।
ছত্রাক মূল থেকে মারে, বারবার ফিরে আসা ঠেকায়
তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া দ্রুত কমায়
ভেজা ঘা, ফোস্কা, পুঁজ — সব শুকিয়ে ফেলে
চুলকানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামত করে
ভেষজ ফর্মুলা — ত্বক পাতলা হয় না, কালো দাগ পড়ে না
কয়েকদিনেই উল্লেখযোগ্য আরাম
আঁটসাঁট ও সিনথেটিক পোশাক এড়িয়ে চলুন — সুতির ঢিলে কাপড়ে বাতাস চলাচল করে, ঘাম শুকায়।
গোসলের পর কুঁচকি, বগল, আঙুলের ফাঁক ভালোভাবে মুছে শুকান। ভেজা রাখবেন না।
সংক্রমিত ব্যক্তির কাপড়, তোয়ালে, বিছানা আলাদা রাখুন। গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকান।
প্রতিদিন পরিষ্কার অন্তর্বাস পরুন। ঘেমে গেলে যত দ্রুত সম্ভব পরিবর্তন করুন।
পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন সি, পর্যাপ্ত ঘুম — রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে ছত্রাক সংক্রমণ কম হয়।
মলম বাইরে থেকে কাজ করে — কিন্তু চর্মরোগ বারবার ফিরে আসলে বা বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে ভেতর থেকেও চিকিৎসা দরকার।
আমাদের সাফিনি সিরাপ রক্ত পরিশোধন করে ভেতর থেকে চর্মরোগের মূল কারণ দূর করে। মলম (বাইরে) + সাফিনি (ভেতরে) = সম্পূর্ণ চিকিৎসা।
আপনার সমস্যার পাশাপাশি যেগুলো সাহায্য করবে
শুকনো চর্মরোগ, এলার্জি, খসখসে ত্বক ও চুলকানির প্রাকৃতিক ভেষজ লোশন — ত্বক মসৃণ ও সুস্থ করে।
বিস্তারিত দেখুন →এলার্জি ও চর্মরোগের সম্পূর্ণ ইউনানী সমাধান — রক্ত পরিষ্কার করে মূল কারণ দূর করে, রোগ ফেরে না।
বিস্তারিত দেখুন →পেট ও লিভারের সুরক্ষায় অনন্য ভেষজ ঔষধ — গ্যাস্ট্রিক, লিভার দুর্বলতা ও হজম সমস্যার সমাধান।
বিস্তারিত দেখুন →